প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 28, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 14, 2026 ইং
৩ এপিবিএন খুলনার বিশেষ অভিযানে প্রতারণা চক্রের ৩ সদস্য আটক

মোঃ মামুন মোল্লা,খুলনা।।
অনলাইনে চাকরির লোভনীয় প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীর কাছ থেকে ৮৮ হাজার ৮৯০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে খুলনায় অনলাইন প্রতারণা চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ৩ এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন), খুলনা। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন মডেলের পাঁচটি মোবাইল ফোন, ১৫টি সিম কার্ড ও নগদ ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
১৩ অক্টোবর ৩ এপিবিএন, খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীনের নেতৃত্বে অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম টিম এবং এপিবিএন সদর দপ্তরের ইন্টেলিজেন্স ও এলআইসি শাখার ১১ সদস্যের একটি চৌকস দল এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
এপিবিএন সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী রবিন শেখকে অনলাইনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারক চক্রটি মোট ৮৮ হাজার ৮৯০ টাকা আত্মসাৎ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অভিযোগটি এপিবিএন সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। পরে বিষয়টি ৩ এপিবিএন, শিরোমনি, খুলনায় পাঠানো হয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ এপিবিএন ক্রাইম ইউনিট এবং এপিবিএন সদর দপ্তরের ইন্টেলিজেন্স ও এলআইসি শাখার সমন্বয়ে ছায়া তদন্ত শুরু হয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধানের মাধ্যমে চক্রটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা থানাধীন কে বাইনতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো বটিয়াঘাটা থানার তলাপাড়া এলাকার শহীদ শেখের ছেলে ছাব্বির হোসেন, মহাদেব ঘটকের ছেলে সাধন কুমার ঘটক এবং মাহবুব শেখের ছেলে সাকিব শেখ।
অভিযানে তাদের হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন, ১৫টি সিম কার্ড ও নগদ ৫০০ টাকা জব্দ করা হয়।
এপিবিএন সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মামলার নম্বর ১৪, তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৬। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জব্দ করা আলামতসহ বন্দর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ আজকের যায় যায় বেলা