মোঃ সেলিম রেজা, ডুমুরিয়াপ্রতিনিধি,খুলনা।
ডুমুরিয়ার সাহস ইউনিয়নে গত ১৬ তারিখে এক মুয়াজ্জিন কে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর পরিবার ও এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে। ঐদিন ফজরের আযান দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোরবেলায় বাড়ি থেকে বের হয়। মসজিদে যাওয়ার পথেই দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জবাই করে।
ঐদিন মসজিদে ফজরের আযান না হওয়ায় ইমাম সাহেব ভুক্তভোগীর স্ত্রী কে ফোন করে। তিনি বলেন আজকে উনি মসজিদে আসেন নাই আজানো দেয় নাই। তখন ওনার স্ত্রী বলেন উনি তো আযান দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোরবেলায় বাড়ি থেকে হয়ে গেছে। তখন ইমাম সাহেব এবং মসজিদের মুসল্লী এবং পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকে পাশের একটি ঝোপের ভিতরে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া যায়।
সাথে সাথে ওনাকে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা খারাপ দেখে ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে স্থানান্তর করে খুলনা আড়াইশো বেডে ভর্তি করা হয়। জ্ঞান না থাকার কারণে তাকে আইসিইউ সাপোর্টে রাখা হয়। অবস্থার একটু উন্নতি হলে তাকে সার্জারি করে বেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। গলায় মারাত্মক জখম থাকায় বেশ কয়েকটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এখনো তিনি ভালোভাবে কথা না বলতে পারায় উনার বক্তব্য রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় এখনো থানায় কোন মামলা হয়নি। তবে থানা সূত্র জানা গেছে এই তারা পর্যবেক্ষণ করছে। সঠিক কোন তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায় তার কোন শত্রু নাই।তবে একটি জমি নিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে মামলা চলছে।তবে তাদের দ্বারা এরকম জঘন্য ঘটনা ঘটানো অসম্ভব। তবে দুর্বৃত্তরা এরকম জঘন্য কাজ করেছে তা সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের মুখোশ উন্মোচন করবে বলে সবাই আশাবাদী