এস.এম.শামীম
প্রকাশ : Jul 4, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

দিঘলিয়ায় খেয়াঘাটের দুই পারে টোল আদায় সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা

এস এম মেহেদী হাসান দিঘলিয়া:
দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর বাজার খেয়াঘাটের দুই পারে দুই সাব ইজারাদার বসে টোল আদায় করছে। ফলে সাধারণ পারাপার যাত্রীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। 

অপর দিকে এ ঘাটকে কেন্দ্র করে শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছে এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, খুলনা বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার আকবর হোসেন। তিনি বারাকপুর গ্রামের আঃ রহমান শেখের পুত্র মোঃ ইয়াজুল শেখ ঘাটটি ইজারাদার মোঃ আকবর হোসেনের কাছ থেকে চুক্তিপত্র সম্পাদন করে ১৩ লক্ষ টাকা অগ্রীম দিয়ে সাব ইজারা গ্রহণ করেন। ঘাটটি ইজারা নেওয়ার পর থেকে নানা প্রতিষ্ঠানের ইজারাদার ও সাব ইজারাদারদের দৌড়ঝাপ মোকাবিলা করে সে ঘাটের বৈধ সাব ইজারাদারের অবস্থান ঠিক করেন। 

এ সকল বিরোধ মোকাবেলা করতে গিয়ে তার কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সাব ইজারাদার ইয়াজুল দৈনিক জন্মভূমি প্রতিনিধিকে জানান, তিনি আকবর হোসেনকে নগদ এককালীন ১৩ লক্ষ টাকা এবং মাসিক ৩ লাখ ২৫ হাজার করে এক বছরের ভাড়া বাবদ আগ্রীম ১৩ লক্ষ টাকা মোট ২৬ লক্ষ টাকা অগ্রীম এবং মাসিক টাকা বাবদ পরিশোধ করেছি। তারপরও আকবর হোসেন তাকে অগ্রীম না জানিয়ে আমার অজান্তে গত ৩০/০৬/২৬ ইং খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানার মীরেরডাঙ্গা নিবাসী মোঃ কামাল হোসেনের পুত্র সিয়াম হোসেনের সাথে চুক্তি করে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছেন। এমনকি উক্ত সিয়ামগং ইয়াজুলকে ঘাট ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন এবং নানা ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছেন। শুধু তাই নয় গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল থেকে প্রতিদিনের ন্যায় সাব ইজারাদার ইয়াজুল বারাকপুর পারে বসে টোল আদায় করছেন।

পক্ষান্তরে সিয়ামের লোকজন দিঘলিয়ার সাকিবের নেতৃত্বে বারাকপুর ঘাটের শহর পারে বসে টোল আদায় করছে। এতে করে ঘাট মাঝি ও সাধারণ পারাপার যাত্রীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। ইয়াজুল আরো জানান, তিনি ঘাট ইজারা নেওয়ার পর থেকে একাধিক ব্যক্তিকে বারাকপুর বাজার খেয়াঘাটের সাব ইজারা ও ওয়ার্ক অর্ডার দিয়ে আমার বারবার অর্থদন্ড দিচ্ছেন আকবর হোসেন। তিনি এভাবে হয়রানি ও ঘাটের প্রতিকার চেয়ে দিঘলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে ঘাটের পশ্চিম পারে বসে টোল আদায়কারি সাকিব বলেন, ইজারাদার আকবর হোসেন আমাদের ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছেন আমরা টোল আদায় করছি। 

আকবর হোসেন আমাদের টাকা ফেরত দিয়ে ইয়াজুলকে ঘাট দিলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। ঘাটের নতুন সাব ইজারাদার সিয়ামও বলেছেন আকবর হোসেন বসে সমাধানের পক্ষে। তিনি যাকে ঘাট দেওয়ার দিবেন। আমাদের মাঝে কোনো বিরোধ নেই। 

এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএর ইজারাদার আকবর হোসেন  জানান, আমি অন্য কাউকে লিখিতভাবে ঘাট দিইনি। ইয়াজুলকে আমি ঘাট দিব। একদিন অপেক্ষা করতে বলেন। আমি খুলনা এসে সবাইকে নিয়ে বসে সবকিছু সমাধান করব। 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে জানলেন তিনি ‘মৃত’

1

৫৩ বছর দেশ শাসনকারীরা নতুন আশা দেখাতে পারবে না: চরমোনাই পীর

2

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে

3

অবিবেচনাপ্রসূতভাবে ভ্যাটের হার বাড়ানো হয়েছে: দেবপ্রিয়

4

হামাস জিম্মিদের তালিকা না দেওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হ

5

দেড় থেকে দুই কোটি মানুষকে টিসিবির পণ্য দেওয়া সম্ভব: বাণিজ্য

6

রাষ্ট্র ধর্মনিরপেক্ষ না হলে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, প্র

7

বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কল

8

ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন এক কথায় অবাস্তব এবং অসম্ভব: সারজিস আ

9

প্রবীর মিত্রের শেষ দিনগুলো যেমন ছিল

10

সাংবাদিকদের দ্রুত অ্যাক্রিডিটেশন প্রদানের আহ্বান অনলাইন এডিট

11

সংস্কার কমিশনে ২২ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিলো মুক্ত গণমাধ্য

12

সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিআরইউয়ের

13

বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস

14

অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ

15

রান নেই–উইকেট নেই, তবু ম্যাচসেরা

16

আরও ১৪ সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব

17

এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক

18

রিকশাচালককে গুলি করে হত্যা মামলায় কারাগারে চিকিৎসকসহ পাঁচজন

19

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিকেল বোর্ড

20