এস.এম.শামীম
প্রকাশ : Oct 27, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কয়রা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি

মোঃ ফয়সাল হোসেন, কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনার কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বে অবহেলা ও চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (এসএসিএমও) আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খুলনার সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত দৈনিক খুলনার খবর  এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে জ্বর ও খিঁচুনি নিয়ে আড়াই মাস বয়সী শিশু মুয়াজকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। এ সময় দায়িত্বে থাকা এসএসিএমও আব্দুল্লাহ আল মামুন শিশুটিকে দেখেন। তবে শিশুটির অবস্থা গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে শিশুটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, প্রায় ৩০ মিনিট পর শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক ডা. তমালিকা খাতুন শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় শিশুটির স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি খুলনার সিভিল সার্জনের কাছে পাঠানো হয়। চিঠির অনুলিপি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এবং কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগের পাশাপাশি আগেও এ ধরনের অভিযোগ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও চিঠিতে বলা হয়।

এদিকে, শুধু অভিযুক্ত এসএসিএমও নয়, ঘটনার সময়সূচি অনুযায়ী জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা অন্য চিকিৎসকদের ভূমিকাও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন শিশুটির পরিবার ও স্থানীয়রা।

অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, শিশু মুয়াজের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টাকে মার্চে বেইজিং সফরে নিতে আগ্রহী চীন

1

বাড়ির দোতলায়ও পানি, ভাই–বোনের খোঁজ পাচ্ছেন না গায়িকা পুতুল

2

খালেদা জিয়াকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দিচ্ছে লন্ডন ক্লিনিকের মেড

3

ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন এক কথায় অবাস্তব এবং অসম্ভব: সারজিস আ

4

বৃহত্তর খুলনার প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ব্রজলাল কল

5

কোনো সভ্য দেশে কূটনৈতিক স্থাপনায় এ ধরনের হামলা হতে পারে না

6

বদলে যাওয়া ক্যাম্পাস

7

বর্তমান সরকারের প্রধান দায়িত্ব শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচার

8

সাঁতার প্রতিযোগিতার সেরা নাফিসা সিনেমায় নায়িকাও, নায়কের তালি

9

সংস্কার কমিশনে ২২ দফা সংস্কার প্রস্তাবনা দিলো মুক্ত গণমাধ্য

10

বুবলীকে ‘পিনিক’–এ যেমন দেখা যাবে

11

অগ্নিকাণ্ডের ৫ দিন পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ

12

সেমিকন্ডাক্টর খাতের বিকাশে টাস্কফোর্স গঠন, সদস্য ১৩ জন

13

আমি চুয়েটের শিক্ষার্থী, তাই আবেগ ও দায়বদ্ধতাও বেশি : চুয়েটের

14

ট্রাম্প ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন, প্রথম দিনেই সই করবেন রেকর্ডসংখ্য

15

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে জানলেন তিনি ‘মৃত’

16

এটা স্কুল নয়, শাস্তিও নয়—বললেন ভারতের প্রধান নির্বাচক

17

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে আবার উত্তেজনা, হামলায় ৩ বাংলাদেশি

18

এআইইউবিতে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

19

খুলনায় এনসিপি পরিচয়ে বাসায় ঢুকে চাঁদাবাজি ও নারী হেনস্তার অভ

20