বাংলার মানুষ সহ অভিযোগ প্রবাসীসহ একাধিক ব্যক্তির কোটি টাকা কোটি টাকা আত্মসাৎ।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সকলে জানতে চাই এই অন্তরার খুটির জোড় কোথায় কোন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা নাকি কোন মন্ত্রী মহোদয়ের ছত্রছায়ায় আছে।
খুলনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে পরে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে অন্তরা হক নামে এক নারীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় তার বর্তমান স্বামী হিসেবে পরিচিত সাইদ হাসান কানন এবং সাবেক স্বামী শ্রাবণের বিরুদ্ধেও সহযোগিতার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলী দেশি-বিদেশি, বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের টার্গেট করে আসছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মো. ফরহাদ আলীর অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখানো হয়।
তিনি দাবি করেন, ২০২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে এসে অন্তরা হককে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, জমি ক্রয় এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে তার কাছ থেকে ধাপে ধাপে প্রায় দেড় কোটি টাকার অর্থ ও সম্পদ নেওয়া হয়। পরে তিনি নিজেকে প্রতারণার শিকার বলে দাবি করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে মানসিক চাপ, বিভিন্ন ধরনের হুমকি এবং ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ভয় দেখিয়ে আরও অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, অভিযুক্তদের দৃশ্যমান আয়-রোজগারের সঙ্গে তাদের সম্পদ ও জীবনযাত্রার মধ্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়ি নির্মাণ, জমি ক্রয় এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের অর্থের উৎস নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন রয়েছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে পরে বিভিন্ন কৌশলে অর্থ আদায় করা হতো। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার দায়িত্ব।
ভুক্তভোগী ফরহাদ আলী জানান, তার কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে আদালতের আশ্রয় নেওয়ারও ঘোষণা দেন।
এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে সে অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।
বিঃদ্রঃ অন্তরা হকের কাছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কারণ আমার বৈধ স্বামী এটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা এদের কোন কাবিননামা নাই একটি তালাকনামা আছে বহিরাগত মোটা অংকের টাকার গেস্ট বাড়িতে এনে দোতলাতে তাদের দুজনকে পাঠিয়ে দিয়ে নিচের রুমে কানন এবং তাদের একটি মাত্র ছেলেকে নিয়ে শুয়ে থাকে এইভাবে প্রতিনিয়ত তাদের বাড়িতে এই খারাপ কাজের মাধ্যমে সম্পূর্ণ এলাকাটি খুলুষিত করে তুলেছে এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত সব তথ্য অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।