মোঃ মামুন মোল্লা,খুলনা।।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) খালিশপুর থানা পুলিশে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় এক চাঞ্চল্যকর অভিযান পরিচালনা করে ৪টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এই সফল অভিযানে সাহসিকতা ও দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিয়েছেন খালিশপুর থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ ইসতিয়াক আহমেদ ও তাঁর সঙ্গীয় ফোর্স।
জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর খালিশপুর থানায় পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় একটি চোরাই মোটরসাইকেল সংক্রান্ত মামলা (নম্বর-২১) রুজু হয়। মামলাটিতে একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল (রেজিস্ট্রেশন নং- খুলনা মেট্রো-ল-১৩-৬৬৪৮) উদ্ধারের জন্য এসআই মোঃ ইসতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল খুলনা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান শুরু করে।
অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৫ অক্টোবর রাত আনুমানিক পৌনে ৪ টার দিকে বটিয়াঘাটা থানার শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার মূল আসামি ও চোর চক্রের মূল হোতা আকবার হোসেন মুন্না (২৬)-কে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সকাল পৌনে ৯ টার দিকে বাগেরহাট সদর থানার বারুইপাড়া বাজার সুতাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপর আসামি রাব্বি (২০)-কে তাঁর নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ ও দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানা এলাকায় পলাতক আসামি তারিকুল ইসলাম চঞ্চলের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আসামি আকবর হোসেন মুন্নার দেখানো ও সনাক্ত মতে মামলার মূল চোরাই মোটরসাইকেলসহ মোট ৪টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১টি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল,১টি সুজুকি জিক্সার (নীল রঙের)১টি হোন্ডা লিভো (লাল রঙের) ১টি ইয়ামাহা এফজেড ভার্সন ফোর (নীল রঙের),
উদ্ধারকৃত এই চারটি মোটরসাইকেলের সর্বমোট আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১২,২৫,০০০ (বারো লক্ষ পঁচিশ হাজার) টাকা।
পুলিশের রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস পর্যালোচনা করে প্রধান আসামি আকবার হোসেন মুন্নার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বিভিন্ন থানায় মোট ১২টি চুরির মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতা রকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধারকৃত বাকি মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিকানা যাচাই ও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।